ফাতিহা মনির জন্মদিন!

আমার ঘরে নক্ষত্র এক
সোনামনি তুই
ভুবন হাসে তোর খুশিতে
তোকে যখন ছুঁই

হাজার প্লাবনে সুখের ছোঁয়া
কম্পিত এক চাঁদ
চাহনিতে তোর মায়ার সাগর
দুষ্টমিতে যত ফাঁদ

রঙ্গনার মতই মাসুম তুই
নিষ্পাপ চেহারা
কোমল যে তোর মুখখানি
সারাক্ষন দিশেহারা

অটবি তরু ভীষণ পছন্দ
চেয়ে থাকিস যখন
হেমন্ত শেষে বসন্ত আসলেই
মায়া লাগে ভীষণ

গেঞ্জি ধরেই নিচের দিকে
যখন মারিস টান
প্রমোদের মাত্রা দীপ্তি ছড়িয়ে
বাজে মমতার স্লোগান

একটু বকা দিলে মা
বলিস ইটস ওকে
লজ্জায় মাথা নিচু করে
ঘাপটি মেরে থাকে

অন্যায় না করে ও মুখে যখন
বলিস তুই সরি
এই জিনিসটার অভ্যেস করলেই
কষ্ট হবে না ভারী

আমার ঔষুধ খাবার সময়
তোর দেখতে হবে তখন
দেখলে মনে হয় সেই থেকেই
দায়িত্বে আছে এখন

টুকিটাকি মায়ের কাজে
এখন সে সহযোগী
কাপড় পড়ে গেলেই উঠিয়ে দিয়ে
ছড়ায় তিমিরে জ্যোতি

এই মামনি নক্ষত্রের আজ
শুভ জন্মদিন!
অভিলাষ গুলো পূর্ণ হোক
সমাপন থেকে প্রাচীন

লাফালাফিতে দক্ষ এখন
উপর থেকে নিচে
ড্রয়ার থেকে কাপড় চোপড় ফেলে
বিশাল কর্ম করে সে

নন্দিনী তুই ঘরের মাঝে
উল্লাসের এক কাহন
উদ্ভাসিত জীবনের স্বপ্নধারায়
সারাক্ষন তুলিস আলোড়ন

স্রষ্টার কাছে একটাই আরজি
ঈমানদার হোক নিদর্শন
মনুষ্যত্ব নিয়ে বেঁচে থাকিস ধরায়
খুঁজে নিস অন্বেষণ

একটু বকুনি খেলেই সে
দহনে পুড়ে একাকার
অদৃশ্য হয়ে নিষ্প্রদীপ
চেয়ে থাকে এক প্রকার

আগন্তুক এলেই হয় অশ্রুবারি
অচেনা মনে হয় সব
বিস্ময় বালিকা চেয়ে থাকে
বুঝে না কোন অবয়ব

নিদ্রার সময় যত হল্লাবাজি
থামানো অনেক কঠিন
উল্লাসে তখন মেতে গিয়ে
ঘর করে সে রঙিন

তোকে নিয়ে যত অভিপ্রায়
করতে চাই পূরণ
ছুটতে চাই আকাশ পাতাল
তুই যে বেঁচে থাকার কারণ

তোর জন্মদিন আসুক ফিরে
শতাব্দীর পর শতাব্দী
তুই যে আমার জীবনের গল্পে
হয়ে আছিস বহমান নদী

শুভ জন্মদিন ফাতিহা মনি!

Leave a Reply