সুখের গল্প প্রবাসে ও কম নেই

মানুষ একটু সুখের জন্য দেশ থেকে দেশান্তর ছুটে যায়। একটু সুখ ছুঁয়ে দেখতে কার না মন চায়। সুখের রং একেক জনের কাছে একেক রকম। কেউ টাকাতেই সুখ খোঁজে, কেউ ভালোবাসায় সুখ খোঁজে, কেউ একটু ভালো থাকতে সুখের পিছনে ছুটে, কেউ জীবনকে সহজ করার জন্য সুখের খোঁজে দিকবিদিক ঘুরে বেড়ায়। এইরকম অনেক ক্যাটাগরি আছে যেখানে মানুষ দিনের পর দিন কষ্ট করে একটু সুখের মুখ দেখার জন্য।

এইতো কয়েকদিন আগেই এখানে এক বড় ভাই বন্ধুসুলভ উনার বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলাম। কয়েকজন পরিচিত মানুষের মধ্যে একসাথে বসে গল্প এবং আড্ডা দিচ্ছিলাম। আড্ডা দিতে দিতে একটা সার্ভে বা জরিফ করলাম। জিজ্ঞেস করলাম নাইমা ইমু ভাবীকে, আচ্ছা ভাবি প্রবাসে অনেক গুলো সুখের মাঝে দুই একটা সুখের গল্প বলুন। আপনার মতে এখানে সুখের একটা উদাহরণ দিন। ভাবি সাথে সাথে একটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ জিনিস শেয়ার করলেন।উনি যেটা বললেন, উনার আম্মা অনেক বয়স্ক একজন মানুষ। উনার আম্মু দেশে থাকতে অনেক অসুস্থ ছিল। সামান্য ধুলাবালিতেই উনার আম্মার শরীর খারাপ হয়ে যেত। উনার আম্মা যেদিন থেকে আমেরিকায় বসবাস করছেন, ভালো পরিবেশের কারণে উনার আম্মুর শারীরিক অবস্থা দেশের থেকে অনেকটা ভালো থাকে এখানে থাকলে। মায়ের শরীর ভালো আছে এর চাইতে বড় সুখ আর কি আছে বলেন মাহমুদ ভাই। সত্যিই তো, মা বাবার শরীর ভালো থাকলে পৃথিবীর সব সন্তানের কাছেই ওটা হচ্ছে সবচেয়ে বড় সুখ।

মানুষ যখন অল্পতেই সুখে থাকার জন্য বেঁচে থাকার অবলম্বন খুঁজে পায় তখন দুনিয়ার হাজার হাজার মোহ ও তাকে ওই সুখ প্রাপ্তির কাছ থেকে দূরে সরাতে পারে না। বিদেশের জীবন যান্ত্রিক বটে, কিন্তু দিনশেষে কষ্টের উপার্জন নিয়ে দুবেলা দুমুঠো আরাম করে খেতে পারলেই মনে হয় এই উপার্জনটাই রংধনু হয়ে আমাদের আকাশে প্রতিদিন স্বপ্ন হয়ে ঘুরে বেড়ায়। তাই আপনাদের সাথে বিদেশের ওই ছোট ছোট সুখের সংজ্ঞা শেয়ার করতে বসলাম। খবরদার একদম কোথাও যাবেন না।

এবারে আমি আমার নিজের অভিমত গুলো আপনাদেরকে বলি এই প্রবাসে সুখের কারণ গুলো কি কি?

ক. পরিশ্রম করলেই সফলতার মুখ দেখা:
যেহেতু আমি আমেরিকাতে থাকি সেহেতু আমি এখানকার বাস্তবতা সম্পর্কে আপনাদেরকে একটু জ্ঞান দিতে পারি। সত্যি বলতে এই বিষয় নিয়ে লিখতে গেলে আমাকে অনেক পর্বে লিখতে হবে, তারচেয়ে বরং আপনাদেরকে সামান্য একটু হিন্টস দেই। আপনি যদি এখানে এসে পড়ালেখা করে একটা ডিগ্রি নিতে পারেন, তাহলে আপনার ভবিষ্যৎ এখানে উজ্জ্বল হবার সম্ভাবনা খুবই বেশি। প্রাথমিক অবস্থায় অনেক কষ্টের সম্মুখীন হতে হয়েছে। ধীরে ধীরে যখন সবকিছু কন্ট্রোলে নিয়ে আসবেন ঠিক তখন কষ্টগুলোকে আর কষ্ট মনে হবে না, মনে রাখবেন ওই কষ্ট গুলোই আপনার একমাত্র ভবিষ্যতের জন্য ইনভেস্টমেন্ট। এখন প্রশ্ন আসবে আপনার কলেজে যাবার বয়স নেই সেক্ষেত্রে আপনি কিভাবে জীবন যাপন করবেন। হ্যাঁ সেই ক্ষেত্রে একটু কষ্টতো হবেই। তবে এখানে যারা পড়ালেখা না করে ট্যাক্সি কিংবা উবার করছে তারা ও অনেক ভালো করছে। আমার পরিচিত অনেক মানুষ ট্যাক্সি চালিয়েই বাড়ি গাড়ির মালিক হয়েছেন। কথা হচ্ছে আপনার আয় যদি সীমিত হয় ও সেই ক্ষেত্রে ও মানুষ অনেক হ্যাপি, কারণ তারা কষ্ট করলেও দিন শেষে সফল হবার স্বপ্ন দেখে, এবং এই স্বপ্নই তাদেরকে সফলতার পথে এগিয়ে যেতে অনেক বড় সাহায্য করে।

খ. আইনের প্রয়োগ যথোপযুক্ত ভাবে হওয়া:
আমাদের দেশে আইন আছে কিন্তু আইনের প্রয়োগ খুব একটা বাস্তবায়ন হতে দেখি না দুই একটা বাদে। ওখানে অন্যায় গুলো স্বার্থপরের মত দলীয় খাতায় বন্ধি তাই আইনের যথার্থ প্রয়োগ ও হয় না। এই আমেরিকায় আইনের প্রয়োগ অহরহ দেখা যায়। ধরুন কেউ রাস্তায় স্পীডিং করে যাচ্ছে, পুলিশ ধরে তাকে জরিমানা কিংবা তার লাইসেন্স নিয়ে ফেলার অধিকার রাখে। অনেকসময় রেকলেস ড্রাইভিং করলে আপনাকে এরেস্ট করে জেলে ও নিয়ে যেতে পারে। একটা বিপদে পড়ছেন, সাথে সাথে ৯১১ কল দিলেই দুই মিনিটের মধ্যেই চারিদিক থেকে পুলিশের গাড়ি এসে হাজির। আশে পাশের প্রতিবেশী কেউ ডিসটার্ব করছে, পুলিশ কল করে ইনফর্ম করে দিন, দেখবেন ওদেরকে ওয়ার্নিং দিয়ে গেছে, পরের দিন থেকে সব কিছু ঠিকঠাক। এগুলো একেবারে নিচের লেভেলের আইন গুলোর কথা বললাম। এই দেশে প্রেসিডেন্ট ও যদি কোন অন্যায় করে তাহলে তাকে ও আইনের আওতায় এনে জবাবদিহি করা হয়। প্রেসিডেন্ট ও আইনের ঊর্ধ্বে নয়, যদি ও আমাদের দেশে আইন আছে, এই সমস্ত জিনিস প্রেসিডেন্ট কিংবা প্রধানমন্ত্রীর জন্য এপলাই করা আকাশ কুসুম কল্পনার ব্যাপার। তাই আইন প্রয়োগের দিক বিবেচনা করলে ও আমরা অনেকটা নিরাপদ এবং সুখে আছি।

গ. বাকস্বাধীনতা:
আমরা সচরাচরই বিদেশে বসে দেশের খবরগুলোতে দেখি, কেউ সরকারের সমালোচনা করলেই তাকে গুম, খুন কিংবা মেরে পেলার মত হুমকি দেয়া হয়। স্বাধীন দেশের নাগরিক হয়ে মানুষ শান্তি মত মনের কথাটা পর্যন্ত ব্যক্ত করতে পারে না। এক্ষেত্রে আমি যদি আমেরিকাতে চোখ রাখি তাহলে আমি বলবো একজন আমেরিকান নাগরিক হিসেবে আমার সম্পূর্ণ কথা বলার স্বাধীনতা এখানে আছে। সরকারি চাকরি করে আমরা সরকারকে নিয়ে সমালোচনায় মাতলে ও আজ পর্যন্ত কোন হুমকি আসে নাই। প্রবাসে এদিকটা বিবেচনা করলে মত প্রকাশ করে ও অনেক শান্তি পাওয়া যায়। আজ পর্যন্ত এখানে যে পরিমান স্বাধীনতা পেয়েছি তা বাংলাদেশে থাকলে সম্ভব হত কিনা তা একমাত্র রাব্বুল আল আমিন জানতেন। সাধারণত যে স্বাধীনতা আমি ভেবেছি ভিনদেশে এসে পাবো না, ঠিক তার বিপরীতটাই এই আমেরিকায় এসে পেয়েছি যেমন আপন মনে ঘুরার স্বাধীনতা, নিজের ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং বাকস্বাধীনতা।

ঘ. ঘুরতে গেলে ট্রাফিকের ঝামেলা তেমন একটা নেই:
কম বেশি ট্রাফিক হয়তো সব দেশেই আছে। আমাদের দেশে লক্ষ্য করলে দেখবেন, মানুষ ট্রাফিকের সিগন্যাল বা আইন তেমন একটা মানতে চায় না। রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে মানুষ পারাপার হবার দৃশ্য আমাদের দেশে অহরহ। আপনি দেশে কোথাও ঘুরতে যাবেন, দেখা গেছে দিনের অনেকটা সময় আপনাকে ট্রাফিকে কাটাতে হয়েছে। আমেরিকায় আমি ম্যাক্সিমাম সময় ব্যস্ততার সময় ট্রাফিকে পড়েছি, যেমন সাত সকালে অফিসে কিংবা স্কুলে যাবার সময়। অন্যান্য সময় রাস্তা পুরোটাই ট্রাফিক বিহীন থাকে। সবচেয়ে মজার জিনিস হচ্ছে রাস্তায় না আছে কোন ট্রাফিক পুলিশ, শুধু গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ক্যামেরা দেয়া, এবং অনেক জায়গায় শুধু অটো সিগন্যাল দেয়া। লাল, হলুদ এবং সবুজ বাতি জ্বালিয়েই পুরো আমেরিকার ট্রাফিক এভাবেই কন্ট্রোল করছে আমেরিকানরা। সত্যি বলতে ঘুরতে গিয়ে ও মজা লাগে কারণ ট্রাফিক বিহীন লং ড্রাইভ, ভাবতেই ভালো লাগে। আর এই সমস্ত ট্রাফিক বিহীন ভ্রমণ গুলো মনের মধ্যে অন্যরকম একটা সুখ এনে দেয়।

ঙ. বাচ্চাদের খেলাধূলা করার স্থান:
যদি ও আমি অনেক বছর দেশের বাহিরে, তারপর ও মানুষের মুখ থেকে প্রায়ই শুনি আমাদের ঢাকা শহরে খেয়াল করলে দেখবেন বাচ্চাদের খেলাধুলা করার জায়গাগুলো আগের মত খুঁজে পাবেন না। সব কিছু দিনে দিনে ভরাট হয়ে বিল্ডিং এর পর বিল্ডিং উঠে সমস্ত খোলা জায়গাগুলো নিমিষে হারিয়ে যাচ্ছে। বাবা মায়েদেরকে চিন্তা করতে হয় বাচ্চাদের খেলাধুলার জন্য একটা নির্মল পরিবেশ এবং খোলা মাঠ। এই আমেরিকায় একটা জিনিস দেখলাম প্রতি কয়েক ব্লক পর পর বাচ্চাদের খেলাধুলা করার মাঠ। মায়েরা কিংবা বাবারা সময় পেলেই এক দৌঁড়ে মাঠে গিয়ে বাচ্চাদের সাথে খেলতে খেলতে অনেকটা মধুর সময় অতিক্রম করেন। এই বিদেশে বাচ্চারা কোথায় খেলবে এটা নিয়ে চিন্তা করা লাগে না। এখানে অগাদ জায়গা পড়ে আছে ইউটিলাইজ করার জন্য। তাই এদিকটা বিবেচনা করলে প্রবাসী মা বাবারা এই সুখের গল্পগুলো থেকে নিজেদেরকে আলাদা করে ভাবতে পারে না। কারণ প্রতিটা সন্তানের হাসিমুখ হচ্ছে প্রত্যেকটা বাবা মায়ের সুখের প্রতিচ্ছবি।

চ. পাবলিক লাইব্রেরি:
সত্যি বলতে গ্রামের স্কুলে পড়ালেখা করায় বাংলাদেশে লাইব্রেরির কোন ছোঁয়া বা পরশ পাই নি। আমি ঠিক জানি না শহরে লাইব্রেরি গুলোর ব্যবহার কি রকম? আমি এই ভিনদেশে এসে দেখলাম মানুষ এখানে লাইব্রেরিতে কিভাবে নিজেদের সময় কাটায়। দেখলাম বাচ্চাদের লাইব্রেরিতে যাওয়ার জন্য এক ধরণের অস্থিরতা কাজ করে। দুনিয়ার এমন কোন বই নেই যা আপনি ওখানে খুঁজলে পাবেন না, যদি লাইব্রেরিতে ওই বই সংগ্রহে না থাকে তাহলে ওরা প্রাণপণ চেষ্টা করে কিভাবে ওই বইটা দ্রুত অন্য কোথাও থেকে সংগ্রহ করে হলে ও দেয়া যায়। লাইব্রেরিতে এক পাশে বাচ্চাদের খেলাধুলা করার জায়গা ও আছে। স্টুডেন্টরা গ্রূপ স্টাডি করার জন্য এই নীরব এবং কোলাহলমুক্ত লাইব্রেরিকে বেছে নেয়। অনেকে লাইব্রেরীতে গিয়ে চাকরির জন্য আবেদন করে, কেউ কেউ কম্পিউটার ব্যবহার করার জন্য ও সুবিধা নিয়ে থাকে। এখানে প্রতিটি এলাকায় লোকাল লাইব্রেরি ও থাকে, যেটিতে গিয়ে মানুষ নিজেদের গুরুত্বপূর্ন কাজ কর্ম সম্পাদন করতে পারে। লাইব্রেরি থেকে বই কয়েকদিনের জন্য ধার করে নিয়ে এসে পড়া শেষে আবার ফেরত ও দিয়ে আসতে পারেন। এই সমস্ত সুবিধাগুলো অনেক অনেক প্রবাসী ছেলেমেয়েদের জন্য রিসোর্স হিসেবে কাজ করে, যেটি ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে অনেক অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

ছ. প্রবাসে সন্তানকে কাছে পাওয়া:
আমাদের দেশের অনেক ভাই এবং বোনেরা আছেন যারা সংসার ছেড়ে দূর পরবাসে একলা থাকেন। এটা যে কি কষ্টের সেটা যারা ভুক্তভোগী তারা ছাড়া কেউ বলতে পারবেনা। আমার বিয়ের পূর্বে আমার বাবা মা ভাই বোন যখন দেশে ছিল তখনকার দিনগুলোর কথা মনে পড়লে বুক ফেটে কান্না আসে। অথচ আজ আমার বউ এসে গড়লো বিবাহিত জীবনের সংসার, সেখানে সৃষ্টিকর্তা আমাকে একটা রাজকন্যা উপহার দিয়েছেন। আমি যখন একটু দূরে যাই ঠিক তখন আমি আমার বাবা এবং মায়ের কষ্টটা তীব্র ভাবে অনুভব করি কারণ আমি নিজে ও যে একজন বাবা। অন্তত নিজেকে এই বলে স্বান্তনা দিই, আমার মেয়েটা এবং আমার স্ত্রী এই প্রবাসে আমার পাশে আছে এবং এটা যে কতটা সুখের, তৃপ্তির এবং ভালোবাসার সেটা যারা পরিবার নিয়ে থাকেন শুধু তারাই বলতে পারবেন। মাঝে মাঝে সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ দিই এই কারণে, উনি আমাকে এই ভিনদেশে ও পরিবারের সুখের গল্প গুলো থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখেন নি। এটা অনেক বড় একটা পাওয়া এই প্রবাস জীবনে। মহান রাব্বুল আল আমিন সকল প্রবাসীকে পরিবার নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকার তৌফিক দিক।

জ. এখানে লোডশেডিং নেই:
এই বিদেশে অনেকগুলো ভালো দিকের মধ্যে একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে ইলেকট্রিসিটি না যাওয়া। এখানে প্রতি মুহৃর্তে ইলেক্ট্রিসিটি চলে যাবার কোন আশংকা থাকে না। মাঝে মাঝে অনেক বড় ঝড় বা তুফানের ক্ষেত্রে সতর্ক করা হয় মানুষের নিরাপত্তার জন্য। সত্যি বলতে এখানে যদি ইলেক্ট্রিসিটি ঘন ঘন আসা যাওয়া করতো তাহলে ব্যবসায়ীরা এত দিনে রাস্তায় বসা লাগতো। অনেক সময় ভালো মানুষরা ও দোকান পাটে ইলেক্ট্রিসিটি চলে যাবার কারণে দুই একটা জিনিস এদিক সেদিক করার সম্ভাবনা থাকে প্রচুর। এটা অনেক পূর্বে একটা অভিজ্ঞতা থেকে বলা। ওই সময় আমেরিকায় স্পেসিফিক স্টেটে ব্ল্যাকআউট হবার কারণে মানুষ দোকান পাট লুট করে ব্যবসায়ীদেরকে সর্বস্ব করে ফেলেছিল। এই ধরণের ঘটনা এক্সিডেন্টলি হয়েছিল এখানে। অন্যথায় এই লোডশেডিং না থাকার কারণে এবং অনেক গুলো দিক বিবেচনা করলে এখানকার জীবনযাত্রা অনেকটাই আরামদায়ক।

এই সমস্ত ছোট খাটো জিনিসগুলো একটা মানুষকে সুখে শান্তিতে বসবাস করার জন্য অনেক বড় অবদান রাখে। তাই মাঝে মাঝে নিউটনের তৃতীয় সূত্রের মত বলতেই হয়, প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটা সমান ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া আছে। মানে প্রবাসে অনেক কষ্ট, দুঃখ এবং গ্লানি থাকলে ও এখানে অন্যান্য দিকগুলো বিবেচনা করলে সুখের ও কমতি নেই। তাই এই সকল কথা চিন্তা করে স্রষ্টার প্রতি শুকরিয়া আদায় করি। জানিনা অনেকেই দেশে থাকলে কতটা শান্তি এবং সুখের জীবনে থাকতেন, কিন্তু এই ভিনদেশে অনেক প্রবাসীরা আল্লাহর রহমতে খুব ভালো এবং সুখের জীবন কাটাচ্ছেন উপরের পয়েন্টগুলোর সূত্র অনুযায়ী। পৃথিবীর যেই প্রান্তে প্রবাসীরা থাকুক না কেন কেন সৃষ্টিকর্তা সবাইকে ভালো রাখুক এই প্রত্যাশা।

Image source: https://www.thestatesman.com/business/indias-october-domestic-air-passenger-traffic-20-1502530322.html

Leave a Reply